skip to content
CurryNaari
Welcome to Nandini’s world of cooking & more...

বেসন পোকামাকড় হওয়ার হাত থেকে রক্ষার ৭টি উপায়

বেসন

সব বাড়িতেই বেসন, সুজি এবং ময়দা এসব সংরক্ষণ করে রাখা হয়। বর্ষাকালে যদি কখনো গরম পাকোড়া, চপ বা বিকেলের জলখাবার বানানো হয়, তখন বেসনের ডিমান্ড সত্যি বেড়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় বেসন সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে তাতে পোকা লেগে যায়। এমতাবস্থায়, চাইলেও এটি ব্যবহার করতে পারবেন না এবং বাধ্য হয়ে ফেলে দিতে হবে। আগে থেকেই যদি সচেতন হয়ে কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা হয় তাহলে বেসন পোকামাকড় হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। বিশেষ করে গরম ও বর্ষাকালে।

যাইহোক, কিছু ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে, আপনি বেসন নষ্ট ও পোকামাকড় হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারেন।বেসন সংরক্ষণ করার সঠিক উপায় যাতে পোকা না হয় তাই নিয়ে আজকের লেখা।

বেসন পোকামাকড় হওয়ার হাত থেকে রক্ষার উপায়ঃ

  1. বেসন হালকা সেঁকে নেওয়া
  2. তেজপাতার ব্যবহার
  3. শুকনো লঙ্কা ব্যবহার করুন
  4. বেসনে পুদিনা পাতা রাখা
  5. ফ্রিজে সংরক্ষণ করা
  6. নিম পাতার ব্যবহার
  7. কালোজিরের পুটুলি

১. বেসন হালকা সেঁকে নেওয়াঃ

বাজার থেকে বেসনের প্যাকেট কিনে আনার পর তা সরাসরি বয়ামে ভরে রাখবেন না। একটি লোহার কড়াই গরম করে তাতে বেসন ঢেলে ২ মিনিট নেড়েচেড়ে নিন। তারপর ঠাণ্ডা হলে বয়ামে রাখুন। এতে করে বেসন পোকামাকড় হওয়ার হাত থেকে বাঁচে। আর বর্ষাকালে হওয়া স্যাতস্যতে ভাব থেকেও বেসনকে রক্ষা করা যায়। অনেকদিন পর্যন্ত এটা স্টোর করে রাখা যায়।

২. তেজপাতার ব্যবহারঃ

তেজপাতার গন্ধ পোকামাকড় সহ্য করতে পারে না। বেসন রাখার পাত্রে বেসনের সাথে তেজপাতা রাখতে পারেন। আপনি যে বাক্সে বেসন সংরক্ষণ করছেন তাতে ৩-৪টি তেজপাতা রাখুন। এটি কখনই পোকামাকড় সৃষ্টি করবে না। তবে বর্ষাকালে দুই সপ্তাহ পর পর পাতা বদলে দেবেন। তেজপাতা দিয়ে চাল পোকা হওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায় এভাবে।

৩. শুকনো লঙ্কা ব্যবহার করুনঃ

শুকনো লঙ্কার ঝাঁজ পোকামাকড়ের জন্য যমের সমান। বেসন যে বয়ামে রাখেন তাতে দুটো শুকনো লঙ্কা চিরে রেখে দিন। এর ফলে এতে পোকামাকড় আসার সাহস পাবে না। বেসনে পোকা হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে চাইলে এই উপায়টি একদম ধন্বন্তরির মত কাজ দেয়।

বেসনে শুকনো লঙ্কা

৪. বেসনে পুদিনা পাতা রাখাঃ

বেসন সংরক্ষণ করার সময় বাক্সে কিছু পুদিনা পাতা রাখুন। এতে পোকামাকড়ের কোনো সমস্যা হবে না। তবে টাটকা পুদিনা পাতা রাখবেন না। পুদিনা পাতা ভালো করে শুকিয়ে নেওয়ার পর তা রাখবেন। মাসে একবার করে এই পাতা বদলে দেবেন। ফলে অনেকদিন এই উপায়ে বেসন সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

৫. ফ্রিজে সংরক্ষণ করাঃ

ফ্রিজে রাখুন বেসন। নষ্ট হওয়া এড়াতে আপনি ফ্রিজে বেসন সংরক্ষণ করতে পারেন। বেসন একটি এয়ার টাইট বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন। এতে কখনই পোকামাকড় আসবে না। এভাবে বেসন ফ্রিজে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

৬. নিম পাতার ব্যবহারঃ

বেসনে পোকামাকড় এড়াতে নিম পাতা রাখুন। নিম পাতা যোগ করার আগে, সেগুলিকে শুকিয়ে নিন। তারপর তা বেসনের মধ্যে রাখুন। ভালো করে একটি এয়ার টাইট পাত্রে বেসনের সাথে নিম পাতা রাখলে বেসনে পোকা হয় না। দুই সপ্তাহে একবার করে নিম পাতা পাল্টে দিন।

৭. কালোজিরের পুটুলিঃ

কালোজিরের পুটুলি মোক্ষম দাওয়াই পোকামাকড়ের জন্য। একটা সুতির কাপড়ে এক চামচ কালোজিরে দিয়ে আটকে দিন। ছোট পুটুলির মত হবে। এবার এটা বেসনের বাক্সে বেসনের ভিতরে ঢুকিয়ে রেখে দিন। মাঝে মাঝে পুটুলি বের করে কালোজিরে বদলে দেবেন। দুমাসে একবার করে করলেও হবে। দেখবেন পোকামাকড় বেসন তো দূর বাক্সের ধারে কাছে আসবে না।

Article Tags:
Article Categories:
Food-kitchen-insights · Tips & Hacks

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *